কয়েক ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এ নির্বাচন যেমন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতার লড়াই, তেমনি এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশটির লাখো অভিবাসীর ভবিষ্যতও। লাখ লাখ বাংলাদেশি-আমেরিকানের বড় একটি অংশের কাছে অভিবাসন, অর্থনীতি ও নাগরিকত্বের মতো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবারের নির্বাচনে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে নির্বাচনের ফলের পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেও।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী এখন ক্রমেই বড় হচ্ছে। তাদের বড় অংশের বসবাস নিউইয়র্ক, মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস ও নিউজার্সিসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। এবার বাংলাদেশি-আমেরিকান ভোটারদের ভাবনায় রয়েছে অভিবাসন, ভিসা, নাগরিকত্ব ও অর্থনীতিসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বিশেষ করে পরিবারভিত্তিক অভিবাসন, ভিসা প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা, নাগরিকত্ব এবং অভিবাসন অভিযান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে অনেকের। তাদের আশা কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান শক্তিশালী হলে অভিবাসন ইস্যুতে কিছুটা পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশ কমিউনিটির একটি বড় অংশ ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন জানালেও রাজনৈতিক মত এক নয়। রিপাবলিকানদের পক্ষেও রয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ভোটার। তাদের অনেকের কাছে করনীতি, ব্যবসা ও সীমান্ত নিরাপত্তার মতো বিষয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচনের দিকে নজর রয়েছে বাংলাদেশেরও। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রফতানি বাজার। কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্য ভবিষ্যতে বাণিজ্য, শুল্ক, বৈদেশিক সহায়তা ও অভিবাসননীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বদলালেই এসব নীতিতে রাতারাতি পরিবর্তন আসবে এমন নিশ্চয়তা নেই বলেই মনে করছেন অনেকে।

By Nasim

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *